২৪ মে, ২০১১

বিচ্ছেদ


গালে হাত দিয়ে মুখটি নীচু করে
একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকে মেয়ে সবুজ ঘাসের মাঝে-
নড়ে না একতিলও।
মনের মধ্যে চিন্তার ঝড় বয়ে,
উড়িয়ে দিচ্ছে এতদিন ধরে সাজানো স্বপ্নালোক
কেনই যে হায় এত স্বপ্ন ছিল!

পিছনে হেলে মাটিতে হাত রেখে,
আকাশের দিকে তাকায়ে অন্যজন
উপরের ওই সীমাহীন শূণ্যতা-
পারেনা দিতে মিছে আশ্বাস কোনও
ক্লান্ত বিকেলে থেমে রয় সব কথা
শুধু কান পেতে হাহাকার ধ্বনি শোন।

যদি ওদের হৃদয় দেখতে পেতে,
দেখতে শত শত যন্ত্রনা বিঁধে,
ছিন্ন হয়ে হৃদয় দুখানি রক্তের নদী স্রোতে
ভাসা-ডোবার মধ্যখানে দূর থেকে শুধু দূরে
চলে যায়। আর মিলবে না কোনও কালে।
চিৎকার ভাসে নদীর বাতাস জুড়ে।

আমরা কেন দাঁড়িয়ে ওদের সমুখে?
ভুলে ভরা  কোন মানদণ্ডের বিভেদ প্রাচীর তুলে-
খুঁজি ওদের প্রেমের সার্থকতা?
বুঝতে চাইনা  আমাদেরই কোন ভুলে,
ওদের হৃদয়ে বাজে মরণ ব্যাথা!
শেখেনি ওরা এখনও দাড়াতে রুখে।

তাকায় ওরা পরস্পরের চোখের তারার মাঝে।
যেখানে ভাসত ভবিষ্যতের স্বপ্নের হাতছানি
এখন সেখানে শুধু স্বপ্নের লাশ।
দুইজনে যায় দুই পথে ,নিয়ে-
ভবিষ্যতের কান্নার পুঁজিখানি।
পড়ে রয় শুধু তীব্র দীর্ঘশ্বাস।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন